Description
আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, “তোমরা আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক্ করবে না।” (সূরা, নিসা-৪:৩৬)
মানুষ সৃষ্টির পেছনের কারণ এটিই যে বান্দা তার রবের ইবাদত করবে এবং আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না। শিরক হল তাওহীদের বিপরীত। এবং এটি এমন এক ন্যাক্কারজনক অপরাধ যার ব্যাপারে দয়াময় আল্লাহ কুরআনে বলেছেন এই অপরাধ কখনোই ক্ষমা করা হবে না।
“নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তাঁর সাথে শরীক্ করা ক্ষমা করেন না। এটি ছাড়া অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। এবং কেহ আল্লাহর শরীক্ করলে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়।” (সুরা, নিসা-৪:১১৬)
সবচেয়ে বড় পাপ কী? এই প্রশ্ন ইবনে মাসউদ (রাঃ) করেছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে। জবাবে তিনি বলেছিলেন, “আল্লাহর সাথে শরীক করা, অথচ আল্লাহই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” [বোখারি, মুসলিম]
শুধু তাই নয় ফযিলতপূর্ণ শাবান মাসের মধ্য রজনীতে যখন আল্লাহ তার বান্দাদের দিকে বিশেষ নজর দেন এবং ক্ষমা করে দেন, সেই বরকতময় রজনীতেও আল্লাহ দুই শ্রেণীর মানুষকে ক্ষমা না করার অঙ্গীকার করেছেন যার এক শ্রেণী হল যারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করে, যারা শিরকের গুনাহয় লিপ্ত।
তাহলে একথা সহজেই অনুমেয় যে শিরক এমন এক অপরাধ যার কোন ক্ষমা নেই, এবং ঈমানের সাথে জান্নাতে প্রবেশের পূর্বশর্ত হল শিরকমুক্ত ইবাদাত। তাই এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নিয়ে মুসলিম মাত্রই সচেতন হওয়া অতি জরুরী। শিরকের পরিচয়, পরিধি, ব্যাপ্তি, শিরক থেকে বাঁচার উপায় এই বিষয়গুলো শরিয়তের আলোকে জানার কোন বিকল্প নেই। সেসব বিষয়ের আলোচনাই মূলত হয়েছে ডক্টর মুহাম্মাদ মুযযাম্মিল আলী রচিত ‘শিরক কী ও কেন?’ বইটিতে। আর বইটি প্রকাশ করেছে তাওহীদ পাবলিকেশন্স । আশা করি এই বইটি পাঠকের জন্য উপকারী হবে এবং শিরক বিষয়ক যাবতীয় জিজ্ঞাসার জবাব দিতে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ।


Reviews
There are no reviews yet.